বুধবার, ০১ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:৪৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
নগরকান্দায় ক্লুলেস হত্যা মামলার রহস্য খুঁজে পেয়ে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ভাগ্নে গ্রেপ্তার ফরিদপুরে যুবতী ধর্ষণ মামলায় প্রতিবেশীর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড মধুখালীতে খুচরা বাজারে অতিরিক্ত দামে অকটেন বিক্রি করায় খুচরা ব্যবসায়ী কে জরিমানা ফরিদপুরে জ্বালানি তেলের সংকটে ভোগান্তি, একটি পাম্পে চাহিদামতো তেল পেয়ে স্বস্তি গ্রাহকদের ফরিদপুরে তেল মজুদ রেখে বিক্রি বন্ধ: পেট্রোল পাম্প মালিককে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা সালথা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক পদ থেকে ফারুকউজ্জামান মিয়ার পদত্যাগ ফরিদপুরে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ পাইয়ে দেওয়ার নামে প্রতারণার অভিযোগে যুবক আটক স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসে শহীদদের প্রতি ফরিদপুর জেলা মহিলা দলের শ্রদ্ধা নিবেদন স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে প্রীতি ফুটবল ম্যাচ জেলা প্রশাসন–ফরিদপুর পৌরসভা গোলশূন্য ড্র দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে বাসডুবি: নিহতের সংখ্যা বেড়ে ২৬ পরিবারের কাছে হস্তান্তর ২৫,, উদ্ধারকাজ অব্যাহত

নগরকান্দায় ক্লুলেস হত্যা মামলার রহস্য খুঁজে পেয়ে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ভাগ্নে গ্রেপ্তার

  • Update Time : মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ, ২০২৬, ৯.০৭ পিএম
  • ৩৫ Time View

নগরকান্দায় ক্লুলেস হত্যা মামলার রহস্য খুঁজে পেয়ে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ভাগ্নে গ্রেপ্তার
ফরিদপুর জেলা প্রতিনিধি

ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলায় সংঘটিত চাঞ্চল্যকর এক ক্লুলেস হত্যা মামলার রহস্য উদ্ঘাটন করেছে পুলিশ।
ঘটনার ৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই অভিযান চালিয়ে নিহতের ভাগ্নে
মো. আলমগীর হোসেন (৪১)কে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ফরিদপুর জেলার নগরকান্দা থানার এফআইআর নং-২৭ (তারিখ: ২৯ মার্চ ২০২৬)
মামলায় উল্লেখ করা হয় যে, সদরপুর উপজেলার জাকের ডাঙ্গী এলাকার বাসিন্দা শেখ মোতালেব (৫০)-এর বড় বোন জামেলা বেগম (৬৫)কে ২৭ মার্চ রাত থেকে ২৮ মার্চ ভোরের মধ্যে যেকোনো সময় শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়। পরে মরদেহ গুম করার উদ্দেশ্যে বাড়ির পাশের সেফটি ট্যাংকের মধ্যে ফেলে রাখা হয়।
ঘটনার পরপরই সহকারী পুলিশ সুপার
(নগরকান্দা সার্কেল) মাহমুদুল হাসানের নেতৃত্বে নগরকান্দা থানার অফিসার ইনচার্জ রাসূল সামদানী আজাদ এবং তদন্ত কর্মকর্তা এসআই মো. নাজমুল ইসলামসহ একটি বিশেষ টিম তদন্ত শুরু করে। তথ্যপ্রযুক্তি ও স্থানীয় গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে
আজ ভোর ৪টা ১৫ মিনিটে চরভদ্রাসন উপজেলার গাজীর টেক এলাকা থেকে সন্দেহভাজন আসামি মো. আলমগীর হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তারকৃত আলমগীর হোসেন জানান, দীর্ঘদিন প্রবাসে থাকার পর দেশে ফিরে ঋণগ্রস্ত হয়ে পড়েন তিনি। এ অবস্থায় খালা জামেলা বেগমের কাছে একাধিকবার টাকা ধার চান। কিন্তু টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানানোয় ক্ষোভের সৃষ্টি হয় তার মধ্যে। পরে পরিকল্পনা করে ২৭ মার্চ রাতে খালার বাড়িতে গিয়ে টাকা-পয়সা নিয়ে বাকবিতণ্ডার একপর্যায়ে গামছা দিয়ে শ্বাসরোধ করে তাকে হত্যা করেন। এরপর মরদেহ সেফটি ট্যাংকে ফেলে গুম করার চেষ্টা করেন এবং ভোরে বাড়িতে তালা লাগিয়ে পালিয়ে যান।
পুলিশ জানায়, প্রাথমিকভাবে আসামি একাই হত্যাকাণ্ডটি ঘটিয়েছে বলে স্বীকার করেছে। মামলার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

jmit_16013
© All rights reserved © 2026
Design & Developed by : JM IT SOLUTION