ফরিদপুরের কৃ’তি সন্তান বী’র’শ্রে’ষ্ঠ মুন্সী আবদুর রউফের মৃ*ত্যুবার্ষিকী আজ!
নিজস্ব প্রতিনিধি
আজ ৮ই এপ্রিল ২০২৬,বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ল্যান্স নায়েক মুন্সী আব্দুর রউফের ৫৫ তম শাহাদাৎ বার্ষিকী।
১৯৭১ সালের ৮এপ্রিল- মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে পাক সেনাদের সাথে সম্মুখ সমরে তিনি সাবেক পার্বত্য চট্টগ্রাম বর্তমান রাঙ্গামাটি জেলার নানিয়ারচর থানার বুড়িঘাট নামক স্থানে শহীদ হন।
মুন্সী আব্দুর রউফ ১৯৪৩ সালের মে মাসে বর্তমান মধুখালী উপজেলার কামারখালী ইউনিয়নের রউফ নগর (সালামতপুর) গ্রামে জন্ম গ্রহণ করেন।
মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় তিনি তার উইংয়ে কর্মরত অবস্থায় ৮ম ইস্টবেঙ্গল রেজিমেন্টে যোগ দিয়ে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন এবং তিনি মেশিন গানার হিসেবে ৮ নম্বর সেক্টর কমান্ডারের অধীনে রাঙ্গামাটির মহালছড়ি নৌপথ অঞ্চলে বুড়িঘাট নামক স্থানে চিংড়িখালের প্রতিরক্ষায় নিয়োজিত ছিলেন। ‘৭১ এর ৮ এপ্রিল পাকবাহিনীর সাথে সম্মুখ সমরে মুন্সী আব্দুর রউফের মেশিন গানের গুলিতে পাকবাহিনীর ২টি লঞ্চ, একটি স্পিডবোড ডুবে পাকবাহিনীর দুই প্লাটুন সৈন্যের সলিল সমাধি ঘটে। এ সময় হঠাৎ প্রতিপক্ষের নিক্ষিপ্ত মটার সেলের আঘাতে তিনি শহীদ হন। ল্যান্স নায়েক মুন্সী আব্দুর রউফ শহীদ হবার দীর্ঘ ২৫ বছর পর ১৯৯৬ সালে বুড়িঘাট নিবাসী জ্যোতিষ চন্দ্র চাকমা ও দয়াল কৃঞ্চ চাকমার সহায়তায় বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সী আব্দুর রউফ এর কবরের স্থান সনাক্ত করতে সক্ষম হন। ১৯৯৭ সালে সেখানে একটি স্মৃতি সৌধ নির্মাণ করা হয়।
বিগত ২০০৮ সালে ২৮ মে তার নিজ গ্রাম সালামাতপুরের নাম রউফ নগর রাখা হয়। ঐ বছরেই তার নামে নিজ গ্রাম রউফ নগরে প্রায় ৬৮ লাখ টাকা ব্যয়ে বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সী আব্দুর রউফ স্মৃতি যাদুঘর ও গ্রন্থগার নির্মাণ করা হয়।স্বাধীনতা যুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ কৃতিত্বের জন্য সরকার তাকে বীরশ্রেষ্ঠ উপাধিতে ভূষিত করেন। এছাড়া তার নামে এলাকায় কামারখালীতে সরকারি বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সী আব্দুর রউফ কলেজ,গন্ধখালী বীরশ্রেষ্ঠ উচ্চ বিদ্যালয়, সাভারে বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সী আব্দুর রউফ গেট, ঢাকায় বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সী আব্দুর রউফ রাইফেলস স্কুল অ্যান্ড কলেজ সহ দেশের বিভিন্ন স্থানে তার নামে প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে,,,
বিনম্র শ্রদ্ধা, হে মহাবীর।
Leave a Reply