শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ০৪:৪৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ফরিদপুর জেলা পরিষদের প্রশাসকের সঙ্গে মধুখালী প্রেসক্লাবের সাংবাদিকদের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত ফরিদপুরে মসজিদের ভেতর মাদ্রাসাছাত্রকে ধর্ষণ চেষ্টার দায়ে ইমামের ৭ বছরের কারাদণ্ড মধুখালীতে মন্দিরে দুর্ধর্ষ চুরি, খোয়া গেল রাধা-গোবিন্দের পিতলের মূর্তি ফরিদপুর প্রেস ক্লাবের উন্নয়নে কাজ করার আশ্বাস দিলেন আফজাল হোসেন খান পলাশ ফরিদপুর জেলা পরিষদের উদ্যোগে অসহায়-দুস্থদের মাঝে আর্থিক সহায়তা বিতরণ মধুখালীতে ফারিয়ার প্রতিবাদী মানববন্ধন অনুষ্ঠিত মধুখালী বাসীকে উন্নয়নের আশ্বাস দিলেন সাংস্কৃতিক প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসে জেলা পর্যায়ের খেলা অনুষ্ঠিত ফরিদপুরে বাড়ছে হামের প্রকোপ, আক্রান্ত ১১৩৬ ফরিদপুরে নিখোঁজ স্ত্রী-কন্যাকে উদ্ধার, পুলিশ ও মিডিয়াকে স্বামীর কৃতজ্ঞতা

ছাত্রলীগ নেতা হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামি ছাত্রদল নেতা গ্রেপ্তার।

  • Update Time : সোমবার, ২ অক্টোবর, ২০২৩, ৫.২৭ পিএম
  • ২১০ Time View

নিজস্ব প্রতিবেদক, নাটোর

নাটোরের লালপুরের ছাত্রলীগ নেতা মোয়াজ্জেম হোসেন হত্যা মামলার মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামি ছাত্রদল নেতা সুজনকে রাজশাহী থেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

সোমবার (২ অক্টোবর) বেলা ১২টার দিকে রাজশাহীর বিনোদপুর থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে লালপুর থানা পুলিশ। পরে বিকেল ৫টার দিকে তাকে নাটোরের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মোছা. কামরুন্নাহার বেগমের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।

নিহত মোয়াজ্জেম হোসেন উপজেলার আড়বাব ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি ও উপজেলার হাবিবপুর গ্রামের আব্দুর শুকুর মৃধার ছেলে। গ্রেপ্তারকৃত শাহিনুল ইসলাম সুজন লালপুর উপজেলার আড়বাব ইউনিয়নের বাহাদুরপুর গ্রামের শহিদুল ইসলাম মাস্টারের ছেলে।

নাটোরের পুলিশ সুপার তারিকুল ইসলাম জানান, গোপন সংবাদ ও তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় জানতে পারেন যে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামি শাহিনুল ইসলাম সুজন রাজশাহীতে আত্মগোপনে রয়েছে। পরে লালপুর থানা পুলিশের একটি টিম রাজশাহীর বিনোদপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে।

প্রসঙ্গত ২০০২ সালের ১ মার্চ মোয়াজ্জেম হোসেনকে কুপিয়ে হত্যা করে সুজনসহ আরও কয়েকজন সন্ত্রাসী। এ ঘটনায় নিহতের বাবা আব্দুর শুকুর মৃধা বাদী হয়ে ২১ জনের নামসহ অজ্ঞাত আরও কয়েকজনকে অভিযুক্ত করে থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।

মামলায় পুলিশ ২১ জনের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। এরপর ২০১৯ সালের ১১ এপ্রিল নাটোরের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মোহম্মদ সাইফুর রহমান সিদ্দিক সুজনসহ চারজনের মৃত্যুদণ্ডাদেশ এবং একজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং বাকিদের খালাস দেন। ঘটনার পর থেকে মৃত্যুদণ্ডাদেশপ্রাপ্ত আসামি সুজন পলাতক ছিলেন।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

jmit_16013
© All rights reserved © 2026
Design & Developed by : JM IT SOLUTION