ফরিদপুরে মাত্র ১০ টাকায় বই পড়ার সুযোগ, ফরিদপুরে জনপ্রিয়তা বাড়ছে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরির
ফরিদপুর জেলা প্রতিনিধি:
আলোকিত মানুষ চাই এই স্লোগানের মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছিল বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্রের যাত্রা।
দীর্ঘ দিনের পথচলায় তারা তাদের এই কাজটা অব্যাহত রেখেছেন। সারাদেশেই তাদের শাখা রয়েছে । তাদের কর্মীরা
শুধু ফরিদপুরে সদরেই নয় বিভিন্ন উপজেলাতে ও পিকআপে করে পাঠকদের হাতে বই তুলে দিচ্ছেন।
জ্ঞানচর্চা ও পাঠাভ্যাস গড়ে তুলতে ২০০৭ সাল থেকে ফরিদপুরে কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরি। একটি পিকআপ ভ্যানের মাধ্যমে জেলার বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে ঘুরে পাঠকদের হাতে বই পৌঁছে দিচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি।
জানা যায়, প্রতি মাসে মাত্র ১০ টাকা সদস্য চাঁদা দিয়ে পাঠকরা এই লাইব্রেরি থেকে বই সংগ্রহ করে পড়ার সুযোগ পান। লাইব্রেরির সংগ্রহে রয়েছে বাংলা সাহিত্য, অনুবাদ সাহিত্য, বিজ্ঞান কল্পকাহিনি (সাইন্স ফিকশন), গল্প, উপন্যাস, প্রবন্ধসহ বিভিন্ন ধরনের বই। বর্তমানে ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরির এই পিকআপে প্রায় ৮ হাজার বই রয়েছে।
বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ফরিদপুর জেলায় বর্তমানে তাদের গ্রাহক সংখ্যা ৭ হাজারেরও বেশি। কয়েক বছর আগে পাঠকসংখ্যা কিছুটা কমে গেলেও সাম্প্রতিক সময়ে তা আবার বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশেষ করে নতুন প্রজন্মের মধ্যে বই পড়ার আগ্রহ বাড়ছে বলে তারা মনে করছেন।
ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরির গাড়িটি সপ্তাহে ছয় দিন ফরিদপুর শহর ও আশপাশের বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে পাঠকদের কাছে বই পৌঁছে দেয়। নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী বিভিন্ন স্থানে অবস্থান করে সদস্যদের বই বিতরণ ও ফেরত নেওয়ার কাজ সম্পন্ন করা হয়।
সংশ্লিষ্টরা জানান, তথ্যপ্রযুক্তির এই যুগেও বইয়ের প্রতি মানুষের আগ্রহ ধরে রাখতে এবং পাঠাভ্যাস বিস্তারে ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরির কার্যক্রম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। বই মানুষের জ্ঞান ও মননের বিকাশ ঘটায়—এই বিশ্বাস থেকেই তারা দীর্ঘদিন ধরে এ কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন। এবং আগামীতে তা অবাহত থাকবে বলে এ প্রতিবেদককে জানান।
Leave a Reply