শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬, ০৭:১৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
আড়পাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের কৃতি শিক্ষার্থী সম্বর্ধনা ২০২৬ অনুষ্ঠিত ফরিদপুরে দলিল লেখকদের ৭ দফা দাবিতে স্মারকলিপি প্রদান ‌ মধুখালী প্রেসক্লাবের আয়োজনে স্বরন সভা ও দোয়া মাহফিল ডুমাইনের গর্ব সামিয়া রেজওয়ান তুবা—ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে গোল্ডেন A+ অর্জন! ২৯ বছরেও হয়নি রাস্তা কাঁদা-পানি মাড়িয়ে বিদ্যালয়ে যেতে হয় শিক্ষার্থীদের আমি জেগে থাকতে পারলে মধুখালীর মানুষ ঘুমাতে পারবে আর আমি ঘুমে গেলে তাঁদের জেগে থাকতে হবে——–ইউএনও মাসুদুর রহমান মধুখালীতে ৫ আগস্ট জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে বিএনপির র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত মধুখালীতে জুলাই গণ”অভ্যু-ত্থান দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা মধুখালীতে ফ্যামিলি কার্ড তথ্য সংগ্রহকারী নিয়োগ পরীক্ষা চলছে, ৬৭২ প্রার্থীর মধ্যে চূড়ান্তভাবে নিয়োগ পাবেন ৯০ জন ফরিদপুর বৃক্ষমেলায় মাত্র ২ টাকায় মিলছে বিভিন্ন প্রজাতির চারা

ঝুঁকিতে বামুন্দি বালিয়াকান্দি মাধ্যমিক বিদ্যালয়: বৃষ্টিতে ভিজে যায় শিক্ষার্থীদের বই-খাতা

  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই, ২০২৬, ৯.০৯ পিএম
  • ১৩৩ Time View

ঝুঁকিতে বামুন্দি বালিয়াকান্দি মাধ্যমিক বিদ্যালয়: বৃষ্টিতে ভিজে যায় শিক্ষার্থীদের বই-খাতা

​মধুখালী,ফরিদপুর প্রতিনিধি ”
​ফরিদপুর জেলার মধুখালী উপজেলার বামুন্দি বালিয়াকান্দি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে চরম ঝুঁকিপূর্ণ ও জরাজীর্ণ পরিবেশে চলছে পাঠদান কার্যক্রম। শ্রেণিকক্ষের দরজা-জানালা ও টিনশেডের বেহাল দশার কারণে সামান্য বৃষ্টিতেই ভেতরে পানি পড়ে। এতে একদিকে যেমন শিক্ষার্থীদের বই-খাতা ভিজে নষ্ট হচ্ছে, অন্যদিকে আতঙ্কের মধ্য দিয়ে ক্লাস করতে হচ্ছে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের।
সরেজমিনে দেখা যায়, বিদ্যালয়টির কয়েকটি শ্রেণিকক্ষের অবকাঠামো অত্যন্ত নাজুক। জানালার কাঠ ভেঙে পড়ে আছে এবং দরজাগুলো প্রায় অস্তিত্বহীন। এ ছাড়া চালের টিনগুলোও জরাজীর্ণ হয়ে পড়েছে। আকাশে মেঘ জমলেই শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মনে আতঙ্ক ভর করে। সামান্য বৃষ্টিতেই ক্লাসের ভেতরে পানি ঢুকে পড়ে। এ সময় শিক্ষার্থীরা পড়াশোনা বাদ দিয়ে নিজেদের বই-খাতা বাঁচাতে ব্যস্ত হয়ে পড়ে।
বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির এক শিক্ষার্থী বলেন, “বৃষ্টি হলে আমরা ঠিকমতো ক্লাস করতে পারি না। ক্লাসের বেঞ্চ ও বই-খাতা ভিজে নষ্ট হয়ে যায়। আমরা এই জরাজীর্ণ ক্লাসরুম দ্রুত মেরামত চাই।”
একই কথা জানিয়ে বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী গুলশান আরা বলেন, “ভাঙা টিনের চাল দিয়ে বৃষ্টির পানি পড়ে আমাদের বই-খাতা সব ভিজে যায়। বর্ষার দিনে ক্লাসে বসার মতো কোনো পরিবেশই থাকে না। এছাড়াও বিদ্যালয়ের একমাত্র টয়লেট ব্যবহার অনুপযোগী। আমরা চাই সরকার ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত আমাদের স্কুলটি সংস্কারের ব্যবস্থা করুক।”​
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বাবু বিশ্বজিৎ কুমার বিশ্বাস জানান, “দীর্ঘদিন ধরে সংস্কারের অভাবে বিদ্যালয়ের অবকাঠামো সম্পূর্ণ ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। শিক্ষার্থীদের নিয়ে আমরা মারাত্মক ঝুঁকির মধ্যে আছি। নানাবিধ সমস্যার কারণে পাঠদান কার্যক্রম ব্যহত হচ্ছে। দ্রুত বিদ্যালয়টির শ্রেণিকক্ষগুলো পাঠদানের উপযোগী করে মেরামত ও সংস্কারের ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট জোর দাবি জানাচ্ছি।”
​স্থানীয় অভিভাবকরাও তাদের সন্তানদের স্কুলে পাঠানো নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। শিক্ষার অনুকূল পরিবেশ নিশ্চিত করতে এবং কোমলমতি শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার স্বার্থে দ্রুত এই জরাজীর্ণ ভবন সংস্কারের জন্য সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকাবাসী ও শিক্ষার্থীরা।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

jmit_16013
© All rights reserved © 2026
Design & Developed by : JM IT SOLUTION