রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:৫৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
আড়পাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের কৃতি শিক্ষার্থী সম্বর্ধনা ২০২৬ অনুষ্ঠিত ফরিদপুরে দলিল লেখকদের ৭ দফা দাবিতে স্মারকলিপি প্রদান ‌ মধুখালী প্রেসক্লাবের আয়োজনে স্বরন সভা ও দোয়া মাহফিল ডুমাইনের গর্ব সামিয়া রেজওয়ান তুবা—ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে গোল্ডেন A+ অর্জন! ২৯ বছরেও হয়নি রাস্তা কাঁদা-পানি মাড়িয়ে বিদ্যালয়ে যেতে হয় শিক্ষার্থীদের আমি জেগে থাকতে পারলে মধুখালীর মানুষ ঘুমাতে পারবে আর আমি ঘুমে গেলে তাঁদের জেগে থাকতে হবে——–ইউএনও মাসুদুর রহমান মধুখালীতে ৫ আগস্ট জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে বিএনপির র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত মধুখালীতে জুলাই গণ”অভ্যু-ত্থান দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা মধুখালীতে ফ্যামিলি কার্ড তথ্য সংগ্রহকারী নিয়োগ পরীক্ষা চলছে, ৬৭২ প্রার্থীর মধ্যে চূড়ান্তভাবে নিয়োগ পাবেন ৯০ জন ফরিদপুর বৃক্ষমেলায় মাত্র ২ টাকায় মিলছে বিভিন্ন প্রজাতির চারা

১৪ বছর পর রায় ফরিদপুরে সবজি বিক্রেতাকে হ-ত্যা মামলায় তিনজনের মৃ/ত্যু:দ/ণ্ড

  • Update Time : মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০২৬, ৫.৪৬ পিএম
  • ১১৭ Time View

১৪ বছর পর রায় ফরিদপুরে সবজি বিক্রেতাকে হ-ত্যা মামলায় তিনজনের মৃ/ত্যু:দ/ণ্ড

জেলা প্রতিনিধি,
ফরিদপুর

ফরিদপুরে ফয়সাল শেখ (২২) নামে এক সবজি বিক্রেতাকে হত্যা মামলায় তিনজনের মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। ঘটনার প্রায় ১৪ বছর পর আজ মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) দুপুর ১২টার দিকে ফরিদপুরের অতিরিক্ত দায়রা জজ ১ম আদালতের বিচারক মোহাম্মাদ বদিউজ্জামান এ রায় দেন।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন ফরিদপুর শহরের পশ্চিম খাবাসপুর এলাকার চাঁন সরদার (৪২) ও তাবু সরদার (৩৫), এবং বাবুল আকন্দ (৩৬)।

রায় ঘোষণার সময় বাবুল আকন্দ উপস্থিত ছিলেন। রায় ঘোষণা শেষে তাকে পুলিশ পাহারায় কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়।

পাশাপাশি পলাতক দুই ভাই চাঁন ও তারার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত।

আদালত সূত্রে জানা যায়, প্রায় ১৪ বছর আগে ২০১২ সালের ৫ সেপ্টেম্বর ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নির্মাণাধীন ভবনে ফয়সাল শেখকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে জখম করা হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়। নিহত ফয়সাল ফরিদপুর শহরের মধ্য আলীপুর এলাকার বাসিন্দা মৃত আকু শেখের ছেলে।

এ ঘটনার পরের দিন ফরিদপুর কোতোয়ালি থানায় চাঁন সরদার, তারা সরদারসহ চারজনের নাম উল্লেখ করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন নিহতের মা ফিরোজা বেগম।

মামলার এজাহারে তিনি উল্লেখ করেন, ফয়সাল শহরের হাজী শরিয়াতুল্লাহ বাজারের আলীমুজ্জামান বেইলী সেতু-সংলগ্ন এলাকার সবজি বিক্রেতা ছিলেন। এছাড়া আসামি চান সরদার আড়তে লেবারের কাজ করতেন। ঘটনার আগে তার ছেলে ফয়সালের সঙ্গে আসামি চান সরদারের মনোমালিন্যের জেরে কথা-কাটাকাটি হয়। এর জের ধরে ঘটনার দিন দুপুরে ফয়সাল শেখ ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ এলাকায় পৌঁছালে তাকে কৌশলে নির্মাণাধীন ভবনের পাশে ডেকে নিয়ে যায় চান সরদার। সেখানে ওঁৎ পেতে থাকা অন্য আসামিরা এলোপাতাড়িভাবে মারধর ও ছুরিকাঘাত করে। পরে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হলে তাৎক্ষণিক ঢাকায় নেওয়ার পথে তিনি মারা যান।

এ মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ছিলেন ফরিদপুর সিআইডির পুলিশ পরিদর্শক মো. শাহজাহান মিয়া। তিনি ২০১৩ সালের ৩১ জুলাই চাঁন সরদার, তারা সরদার, বাবুল আকন্দ ও শাহিন সরদারকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন।

এ মামলার শুনানি চলাকালে শাহিন সরদার (২২) মারা যান।

বিষয়টি নিশ্চিত করে আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) চৌধুরী জাহিদ হাসান বলেন, দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্য গ্রহণের মধ্যে আদালতে হত্যাকাণ্ডটি সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয় এবং তিনজনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এ মামলার এজাহারভুক্ত একজন আসামি মারা যাওয়ায় তাকে অভিযোগপত্র থেকে বাদ দেওয়া হয়। বাকি দুজন পলাতক রয়েছেন। তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

jmit_16013
© All rights reserved © 2026
Design & Developed by : JM IT SOLUTION